বাংলাদেশের হেমাটোলজির পথিকৃৎ মরহুম অধ্যাপক ডাঃ মোহাম্মদ আব্দুর রশিদের নেতৃত্বে ৩১/০৮/১৯৯৯ ইং তারিখে প্রতিষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ সোসাইটি অব হেমাটোলজি’ই আজকের ‘হেমাটোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশ’। এই সোসাইটি বাংলাদেশের সকল হেমাটোলজিস্টের প্রতিনিধিত্বকারী ও মুখপাত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। স্বাধীনতার পর এদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় ব্যাপক অগ্রগতি সাধিত হয়েছে এবং তা আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার জন্য দ্রুতগতিতে অগ্রসরমান থাকলেও এখনও জনসচেতনতা ও প্রয়োজনীয় শিক্ষার অপ্রতুলতা এবং দারিদ্র্যের কারণে এদেশের বেশিরভাগ মানুষ রক্ত সম্পর্কিত রোগের সঠিক চিকিৎসা পাচ্ছেনা। হেমাটোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশ’র সকল প্রচেষ্টা থাকবে এদেশের হেমাটোলজিস্টদের সংহতি, স্বার্থ ও সম্মান বজায় রেখে রক্ত সম্পর্কিত রোগের প্রকৃতি ও ব্যাপকতা এবং তার প্রতিরোধ ও চিকিৎসা সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা, এদেশের রক্ত সম্পর্কিত রোগের রোগীদের একটি একটি একক মঞ্চ প্রদানের মাধ্যমে তাদেরকে যথোপযুক্ত সেবা প্রদান করা, বাংলাদেশের চিকিৎসা শিক্ষা ব্যবস্থার অধিকতর উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক মান অর্জনে যথাযথ ভূমিকা গ্রহণ করা এবং এদেশের চিকিৎসক, স্বাস্থ্য কর্মী ও জনগণকে রক্তবিদ্যা বিষয়ক প্রয়োজনীয় পুঁজি, জ্ঞান ও উদ্যোগের সংস্থান করা।

উপধারা-০১: সংগঠনের নামঃ এই সোসাইটির পুর্ণ নাম বাংলা ও ইংরেজিতে ‘হেমাটোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশ’ (HAEMATOLOGY SOCIETY OF BANGLADESH) ।

উপধারা-০২: ভাষাঃ সোসাইটির দুইটি অফিসিয়াল ভাষা থাকবেঃ বাংলা ও ইংরেজি। এই গঠনতন্ত্রের বাংলা ও ইংরেজি ভাষান্তরে অর্থগত কোন পার্থক্য থাকলে বাংলা অর্থ গৃহীত হবে।

উপধারা-০৩: নিবন্ধিত অফিসঃ সোসাইটির রেজিষ্টার্ড অফিস ঢাকায় অবস্থিত থাকবে।

উপধারা-০৪: লোগোঃ নিচের রঙ্গিন প্রতীকটি সাধারণভাবে সোসাইটির তাৎক্ষণিক পরিচিতি ও সনাক্তিকরন চিহ্ন হিসেবে ব্যবহৃত হবে। এই প্রতীকে রয়েছে মানুষের রক্তের আণুবীক্ষণিক চিত্রের পটভূমিতে দাঁড়ানো একটি ছড়ি যাকে পেঁচিয়ে আছে একটি সাপ ও মাথায় রয়েছে রক্তের একটি ফোঁটা; তার দুই পার্শ্বে দুইটি শস্য মঞ্জুরি ও নীচে ইংরেজিতে HAEMATOLOGY SOCIETY OF BANGLADESH Established : 1999 কথাগুলো গোলাকারে পরিবেষ্টন করে আছে।

উপধারা-০৫: সংজ্ঞাঃ বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী না হলে নীচের শব্দ সমূহ নিম্নরূপে অর্থ বহন করবেঃ

(০১) ‘সোসাইটি’ অর্থ হেমাটোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশ।

(০২) ‘বিধি’ অর্থ এই গঠনতন্ত্রে বর্নিত বিধি সমূহ।

(০৩) ‘নির্বাহী পরিষদ’ অর্থ সোসাইটির নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিনিধিত্বকারী কর্তৃপক্ষ।

(০৪) ‘সদস্য’ অর্থ সোসাইটির বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্য যা ধারা-৩-এ সংজ্ঞায়িত হয়েছে।

(০৫) ‘সাধারণ পরিষদ’ অর্থ এই গঠনতন্ত্রে সংজ্ঞায়িত সোসাইটির সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ।

(০৬) ‘জার্নাল’ অর্থ নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রকাশিত সোসাইটির নিজস্ব জার্নাল।

(০৭) ‘কমিশন’ অর্থ সোসাইটির নির্বাহী পরিষদ নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত নির্বাচন কমিশন।

উপধারা-০৬: আইন ও বিধির প্রাধান্যঃ অত্র গঠনতন্ত্রে যা কিছু উল্লেখ থাকুক না কেন ১৯৬১ সনের ৪৬ নং অধ্যাদেশ এবং সংশ্লিষ্ট প্রচলিত আইন অনুযায়ী এই সোসাইটির সকল কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

সোসাইটির উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিম্নরূপ-

(০১) এই সোসাইটি বাংলাদেশের রক্তরোগ বিশেষজ্ঞদের মধ্যে সংহতি, সহানুভূতি ও ভ্রাতৃত্বমূলক সহযোগিতা স্থাপন করতে ও তা বজায় রাখতে এবং তাদের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষায় তাদের স্বার্থ, অধিকার ও সুবিধাসমুহ প্রতিষ্ঠা ও সংরক্ষণ করতে সচেষ্ট থাকবে।

(০২) এই সোসাইটি বাংলাদেশের জনগণকে রক্তরোগ বিষয়ে সচেতন করবে, বিশ্বব্যাপী চিকিৎসা শাস্ত্রের একটি স্বকীয় ও পুর্নাঙ্গ শাখা হিসেবে কেবলমাত্র রক্তরোগ বিশেষজ্ঞগনই এই রোগসমূহের সর্বোত্তম চিকিৎসা দিতে সক্ষম সে ব্যাপারে সচেতন করবে এবং প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও আস্থার সাথে বাংলাদেশের রক্তসম্পর্কিত রোগীদের জন্য চিকিৎসা সেবার অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে সচেষ্ট থাকবে।

(০৩) এই সোসাইটি বাংলাদেশে চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণার ধারাবাহিক উন্নয়নের লক্ষ্যে রক্তরোগের উপর শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কার্যক্রমের আয়োজন করবে এবং এতদুদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় জ্ঞান, উদ্যোগ, দিকনির্দেশনা ও সক্ষমতার যোগান দিবে।

(০৪) এই সোসাইটি একই ধরনের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য অর্জনে প্রত্যাশী অন্যান্য দেশী-বিদেশি ও আন্তর্জাতিক সংগঠনের সাথে সহযোগিতা মূলক চুক্তিতে আবদ্ধ হবে এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে তাদেরকে অধিভুক্ত করবে বা তাদের অধিভুক্ত হবে। 

(০৫) এই সোসাইটি তাদের লক্ষ্য অর্জনের জন্য সংবাদপত্র, সাময়িকী, বই-পুস্তক, পুস্তিকা, ওয়েবসাইট ইত্যাদি গণমাধ্যমকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে সচেষ্ট থাকবে। 


উপধারা-০১: সদস্যদের শ্রেণিবিন্যাসঃ সোসাইটির সদস্যবৃন্দ নিম্নবর্নিত তিন শ্রেণির হবেন-

(০১) আজীবন সদস্যঃ তারা হলেন সোসাইটির স্থায়ী সদস্য; তারা নির্বাহী পরিষদ নির্বাচন ও সাধারণ সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য পেশকৃত প্রস্তাবে ভোট দেয়ার অধিকার সংরক্ষণ করেন। 

(০২) সাধারণ সদস্যঃ তারা হলেন প্রতি বৎসর নবায়নযোগ্য সোসাটির অস্থায়ী সদস্য; তাদের মেয়াদকালিন সময়ে তারা আজীবন সদস্যের মত ভোটাধিকার সংরক্ষণ করেন।

(০৩) সহযোগী সদস্যঃ তারা হলেন প্রতি বৎসর নবায়নযোগ্য সোসাইটির অস্থায়ী সদস্য কিন্তু সাধারণ ও আজীবন সদস্যদের মত ভোটাধিকার সংরক্ষণ করেন না।

(০) সম্মানিক আজীবন সদস্যঃ তারা হলেন সোসাইটির স্থায়ী সদস্য কিন্তু সাধারণ ও আজীবন সদস্যদের মত ভোটাধিকার সংরক্ষণ করেন না।   

উপধারা-০২: সদস্য হওয়ার যোগ্যতাঃ

(০১) আজীবন সদস্যঃ যে কোন বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠান থেকে অর্জিত এবং বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃতি প্রাপ্ত এমবিবিএস বা সমমানের স্নাতক ডিগ্রী এবং হেমাটোলজি বিষয়ে এফসিপিএস বা এমডি বা সমমানের ডিগ্রীধারী যে কোন ব্যক্তি। বাংলাদেশের বাইরে অর্জিত ডিগ্রী একই সাথে সংশ্লিষ্ট দেশের রেগুলেটরি বডি কর্তৃক স্বীকৃত হতে হবে।

(০২)  সাধারণ সদস্যঃ আজীবন সদস্য হওয়ার জন্য বর্নিত একই ধরনের যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তি যারা নির্দ্দিষ্ট মেয়াদের জন্য সোসাইটির সদস্য হতে ইচ্ছুক

(০৩)  সহযোগী সদস্যঃ হেমাটোজি বিষয়ের প্রতি বিশেষভাবে অনুরক্ত যে কোন চিকিৎসক বা হেমাটোলজি বা তদসম্পর্কিত বিষয়ের স্নাতকোত্তর ছাত্র অথবা যে কোন সমাজসেবী ব্যক্তি যিনি বাংলাদশের হেমাটোলজির উন্নয়নে ভূমিকা  রাখতে পারেন।

(০) সম্মানিক আজীবন সদস্যঃ সাবেক ‘বাংলাদেশ সোসাইটি অব হেমাটোলজির প্রতিষ্ঠাকালীন যে সকল আজীবন সদস্যের শর্তাদি পরবর্তীতে অত্র ধারা ০ এর উপধারা-০২ (১) ও ০২ (২) মোতাবেক পূরন হয় নাই তারা সম্মানিক আজীবন সদস্য হিসেবে বিবেচিত। তবে সোসাইটিতে বিশেষ অবদানের জন্য অত্র ধারা ০ এর উপধারা-০২ (৩) মোতাবেক সহযোগী সদস্য হওয়ার যোগ্যতা সম্পন্ন যে কোন ব্যক্তিকে নির্বাহী পরিষদ ‘সম্মানিক আজীবন সদস্য’ হিসেবে সদস্যপদ প্রদান করতে পারবে।

উপধারা-০৩: সদস্যদের প্রাধিকারঃ এক জন সদস্য নিম্নবর্নিত অধিকার ও সুবিধা সমূহ প্রাপ্ত হবেন-

(০১) বিনামূল্যে বা নির্ধারিত মূল্যে সোসাইটির প্রকাশনা পাওয়ার বা সোসাইটির পাঠাগার ব্যবহারের অধিকার।

(০) সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত ক্লিনিক্যাল মিটিং, বক্তৃতা ও প্রদর্শনী এবং অন্যান্য একাডেমিক বা সামাজিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণের অধিকার। 

(০) সোসাইটি কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য প্রাধিকার সমূহ।

উপধারা-০৪: সদস্যদের দায়িত্বঃ একজন সদস্য তার মেয়াদকালীন সময়ে সোসাইটির বিধি-বিধানের আওতাধীন থাকবেন, এবং ঋণ ও দায় সহ সোসাইটির সম্পদ বৃদ্ধি ও রক্ষণাবেক্ষণে অংশগ্রহণ করবেন

উপধারা-০৫: সদস্য পঞ্জিঃ সোসাইটির সকল সদস্যের নাম, যোগ্যতা, ঠিকানা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য অন্তর্ভুক্ত করে একটি সদস্য পঞ্জি থাকবে।

উপধারা-০৬: সদস্যভুক্তিঃ নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত ফি পরিশোধ পুর্বক এবং সদস্যপদের শ্রেণি ও মেয়াদ উল্লেখ পুর্বক একজন উপযুক্ত ব্যক্তি নির্ধারিত ফর্মে বা নির্বাহী পরিষদ নির্দেশিত পন্থায় সদস্যভুক্তির আবেদন করবেন এবং তার সদস্যভুক্তি নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অনুমোদনের পর কার্যকর হবে। 

উপধারা-০৭: সদস্য পদের মেয়াদকালঃ সদস্যভুক্তির শ্রেণী ও মেয়াদ এবং নিম্নের বিধি অনুযায়ী সদস্যপদ বাতিল না হওয়া পর্যন্ত একজন সদস্যের সদস্যপদ বহাল থাকবে। নিম্নলিখিত তিন কারণে একজন সদস্যের সদস্যপদের সমাপ্তি হতে পারে-

(০) মেয়াদপূর্তিতেঃ সাধারণ ও সহযোগী সদস্য পদের ক্ষেত্রে নিদৃষ্ট মেয়াদ শেষে এ রূপ সদস্য পদ স্বয়ংক্রিয় ভাবে বিলুপ্তি হবে।

(০) পাওনা পরিশোধে ব্যর্থতাঃ নির্ধারিত দিনের পর তিন মাসের মধ্যে চাঁদা বা দায়ের হিস্যা পরিশোধে ব্যর্থ হলে নির্বাহী পরিষদ কোন সদস্যের সদস্যপদ বাতিল করতে পারবে; তবে সদস্যপদ বাতিলের পুর্বে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে তার পাওনা পরিশোধের জন্য কমপক্ষে ৩০ দিনের সুযোগ দিয়ে নোটিশ দিতে হবে।

(০৩) পদত্যাগজনিতঃ এক জন সদস্য তার সমস্ত পাওনা পরিশোধ পূর্বক যে কোন সময় সভাপতি বরাবরে ৩০ দিনের নোটিশ প্রদান সাপেক্ষে সোসাইটি থেকে পদত্যাগ করতে পারেন এবং পাওনা পরিশোধ সাপেক্ষে নির্বাহী পরিষদ তার পদত্যাগ বিবেচনা করবেন।

(০) অসদাচরণ জনিতঃ কোন সদস্যের কার্যকলাপ বিএমডিসির বিদ্যমান আইন অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ বা সোসাইটির জন্য ক্ষতিকারক বিবেচিত হলে নির্বাহী পরিষদ সংশ্লিষ্ট সদস্যের কাছে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে ব্যাখ্যা চাইবে। সংশ্লিষ্ট সদস্যের প্রদত্ত ব্যাখ্যা নির্বাহী পরিষদের নিকট সন্তোষজনক প্রতীয়মান না হলে নির্বাহী পরিষদ তাকে ক্ষমা প্রার্থনা অথবা সোসাইটি থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিতে পারে। উক্ত সদস্য আত্মপক্ষ সমর্থনে ব্যাখ্যা প্রদান বা ক্ষমা প্রার্থনা বা পদত্যাগ করতে অস্বীকার করলে নির্বাহী পরিষদ অভিযোগ তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করবে। তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে নির্বাহী পরিষদ সংশ্লিষ্ট সদস্যকে সোসাইটি থেকে স্থায়ী বা সাময়িক বহিষ্কার বা অন্য কোন শাস্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

উপধারা-০৮: সদস্য পদের পুনর্বহালঃ কোন ব্যক্তি নিম্নলিখিত উপায়ে তার হৃত সদস্যপদ ফিরে পেতে পারেন- 

(০১) পাওনা পরিশোধে ব্যর্থতা জনিত কারণে সদস্যপদ বাতিল হলে তার পাওনা সমূহ পরিশোধ সাপেক্ষে কোন ব্যক্তিকে তার সদস্য পদ বাতিলের তারিখ থেকে নিরবিচ্ছিন্নভাবে সদস্যপদ বহাল করা যেতে পারে।

(০২) পদত্যাগকৃত কোন ব্যক্তিকে পদত্যাগ বিষয়ে নির্বাহী পরিষদর নিকট সন্তোষজনক কারণ ব্যাখ্যা বা ক্ষমা প্রার্থনা এবং পাওনা থাকলে পাওনা পরিশোধ সাপেক্ষে সদস্যপদ পুনর্বহাল করা যেতে পারে।

(০৩) অসদাচরণ জনিত কারণে সদস্যপদ বাতিলের প্রেক্ষিতে বাতিল কালীন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্দ্দিষ্ট সময় শেষে অথবা অন্তর্বর্তী কালীন সময়ে সন্তোষজনক আচরণের সমর্থনে কমপক্ষে দশ জন আজীবন সদস্যের সুপারিশ সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সদস্যপদ পুনর্বহাল করা যেতে পারে।

উপধারা-০১: সাধারণ পরিষদের গঠনঃ সকল আজীবনসাধারণ সদস্যবৃন্দের সমন্বয়ে সাধারণ পরিষদ গঠিত হবে।

উপধারা-০২: সাধারণ পরিষদের কাজ ও ক্ষমতাঃ সোসাইটির প্রতিটি ব্যাপারে আলোচনা দিকনির্দেশনা প্রদান এবং তা বিধিবদ্ধ করার জন্য সাধারণ পরিষদ হচ্ছে সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারক কর্তৃপক্ষ। এই কর্তৃপক্ষ নিম্নের বিষয় সমূহের ব্যাপারে ক্ষমতাপ্রাপ্ত-

(০১) সোসাইটির সকল আইন ও বিধি তৈরি, পরিবর্তন ও বাতিল করা।

(০২) নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের নির্বাচন করা।

(০৩) এই গঠনতন্ত্রে থাকুক বা না থাকুক এমন যে কোন ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ।

(০৪) সাধারণ পরিষদ কর্তৃক গৃহীত যে কোন সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত এবং নির্বাহী পরিষদের জন্য তা অবশ্য পালনীয় বলে গণ্য হবে।

উপধারা-০৩: সাধারণ পরিষদের সভাঃ সাধারণ পরিষদের সভা নিম্নরূপ দুই ধরণের হতে পারে-

(০১) সাধারণ সভাঃ নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক বিধি সম্মত ভাবে আহুত সময়, তারিখ ও স্থানে যেকোন বিষয়ে সাধারণ পরিষদ সভায় মিলিত হবে।

(০২) তলবি সভাঃ নির্বাহী পরিষদ কোন গুরুত্বপুর্ন বিষয়ে সভা আহ্বানে ব্যর্থ হলে কিংবা নির্বাহী পরিষদের অনুপস্থিতিতে সাধারণ সভার কমপক্ষে দশ জন সদস্য একত্রে বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করতঃ তলবি সভা আহ্বান করতে পারবেন।

উপধারা-০৪: সাধারণ পরিষদের সভার বিজ্ঞপ্তিঃ স্থান, সময় ও তারিখ এবং আলোচ্য সূচি উল্লেখ করতঃ সকল সদস্যকে সাধারণ সভার ক্ষেত্রে কমপক্ষে দশ দিন পুর্বে এবং তলবি সভার ক্ষেত্রে কমপক্ষে তিরিশ দিন পুর্বে নোটিশ প্রদান করতে হবে। এই নোটিশ জাতীয় প্রচার মাধ্যম, জার্নাল, ডাক, ইমেইল, বার্তাবাহক, কিংবা সময় ও ব্যয়ের বিচারে উপযুক্ত অন্য যেকোন উপায়ে দেয়া যেতে পারে। জাতীয় প্রচার মাধ্যম ব্যতীত অন্য সকল উপায়ে নোটিশ পাঠানোর ক্ষেত্রে সদস্য পঞ্জিতে রক্ষিত সংশ্লিষ্ট সদস্যের সর্বশেষ ঠিকানা বা ফোন নম্বর ব্যবহৃত হবে।

উপধারা-০৫: সাধারণ পরিষদের সভার কোরামঃ সাধারণ সভার জন্য সোসাইটির সদস্যদের কমপক্ষে এক তৃতীয়াংশ এবং তলবি সভার জন্য অর্ধেক সদস্য উপস্থিত থাকলে কোরাম পুর্ণ হবে। কোরাম পুর্ণ না হলে সাধারণ সভা স্থগিত হবে এবং পরবর্তিতে অনুষ্ঠানের জন্য সভাস্থলেই স্থান, তারিখ ও সময় ঘোষণা করতে হবে তবে তলবি সভা কোন সিদ্ধান্ত ছাড়াই বাতিল বলে গণ্য হবে।

উপধারা-০৬: সাধারণ পরিষদের সভার আলোচ্য বিষয়ঃ  

(০১) নির্বাহী পরিষদের নির্বাচন, প্রয়োজনবোধে।  

(০২) বিগত সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত সমূহ অনুমোদন।

(০৩) সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক উপস্থাপিত বিগত বছরের বার্ষিক বিবরণ অনুমোদন। 

(০৪) কোষাধ্যক্ষ কর্তৃক উপস্থাপিত বিবরণ ও নিরীক্ষিত হিসাব অনুমোদন।

(০৫) পরবর্তী বছরের বাজেট আলোচনা ও অনুমোদন।

(০৬) যেকোন একক সদস্য বিশেষ কর্তৃক আনীত বিষয় বা প্রস্তাবের উপর আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ।

(০৭) সভাপতির অনুমোদন ক্রমে অন্য যেকোন বিষয়ের উপর আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ।  

উপধারা-০৭: সাধারণ পরিষদের সভার সাধারণ বিধি সমূহঃ  

(০১) যথাযথ ভাবে প্রচারিত হয় নাই এমন কোন বিষয় সাধারণ সভায় উপস্থাপন করা চলবে না। সদস্য বিশেষ কর্তৃক আনিত কোন আলোচনা প্রস্তাব সভার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগেই সাধারণ সম্পাদকের নিকট পেশ করতে হবে। যে বিষয়ের জন্য তলবি সভা আহ্বান করা হয়েছে কেবল মাত্র সেই বিষয় ছাড়া অন্য কোন বিষয় তলবি সভায় আলোচনা করা যাবে না।

(০২) সাধারণ সভার ক্ষেত্রে উপস্থিত সদস্যদের সাধারণ সংখ্যা গরিষ্ঠতা ও তলবি সভার ক্ষেত্রে উপস্থিত সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যা গরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।

(০৩) কোন বিষয়ের উপর সিদ্ধান্ত বা মীমাংসা না হলে পরবর্তি ছয় মাসের মধ্যে অথবা কমপক্ষে দশ জন সদস্য পুনর্বিবেচনার আহ্বান না জানালে ঐ বিষয়ের উপর আর কোন আলোচনা করা চলবে না।  

(০৪) সাধারণ পরিষদের কোন সভায় আলোচ্য বিষয় ও সিদ্ধান্ত সমূহ যথাযথ ভাবে সংরক্ষণ করতে হবে এবং সোসাইটির সভাপতি পরবর্তী সভায় তার উপস্থাপন নিশ্চিত করবেন।  

(০৫) উপস্থিত সদস্যদের অর্ধেকের বেশী সংখ্যক সদস্য সম্মত হলে সভার সভাপতি সভা মুলতুবি ঘোষণা করতে পারেন এবং মুলতুবী সভায় কেবলমাত্র অসম্পুর্ন বিষয়গুলিই আলোচিত হবে।

(০৬) নির্বাহী পরিষদের কোন পদে শূন্যতা, ভুল নিয়োগ বা নির্বাচনের কারণে কিংবা অসাবধানতা বশতঃ সোসাইটির কোন সদস্যের নিকট সভার নোটিশ না পৌঁছানোর কারণে কোন সভা বাতিল হবে না।


উপধারা-০১: উপদেষ্টা পরিষদ গঠনঃ

(১) য়ঃজেষ্ঠ্য, গুরুত্বপুর্ন বা অভিভাবকসুলভ ব্যক্তিবৃন্দের সমন্বয়ে সাত সদস্যের একটি উপদেষ্টা পরিষদ থাকবে যারা নবনির্বাচিত নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক প্রথম তিন মাসের মধ্যে মনোনীত হবেন।

(২) নির্বাহী পরিষদের সদস্যবৃন্দ সভা অনুষ্ঠানের পূর্বেই সাধারণ সম্পাদকের নিকট লিখিত ভাবে প্রস্তাব প্রের করবেন এবং সাধারণ সম্পাদক প্রস্তাবিত উপদেষ্টার সম্মতি গ্রহন করবেন। প্রস্তাবিত উপদেষ্টার মৌখিক অথবা লিখিত অসম্মতিতে তার উপদেষ্টা পদের প্রস্তাব বিবেচনা করা যাবে না।

(৩) হেমাটোলজি বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ের কোন বয়ঃজ্যেষ্ঠ অধ্যাপক বা সমমর্যাদা সম্পন্ন চিকিৎসক অথবা হেমাটোলজির প্রতি অনুরক্ত ও এর উন্নতি সাধনে ভূমিকা রাখতে পারেন এমন কোন ব্যক্তি বা সমাজসেবীকে উপদেষ্টা হিসেবে বাছাই করতে হবে।

উপধারা-০২: উপদেষ্টা পরিষদের দায়িত্ব ও কর্ম পরিধিঃ

(০১) উপদেষ্টাবৃন্দ সোসাইটির কর্মকান্ডের মূল্যায়ন করবেন, সোসাইটির উত্তরোত্তর উন্নতি সাধনের জন্য তাদের মতামত ও দিক-নির্দেশনা দিবেন এবং সোসাইটির কার্যক্রমে তাদের সাধ্যানুযায়ী সহযোগিতা করবেন।

(০২) উপদেষ্টাবৃন্দ নির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত ও অনুরোধক্রমে যেকোন সভায় উপস্থিত থেকে মতামত ও পরামর্শ প্রদান করতে পারবেন এবং যে কোন বিশেষ প্রয়োজনে নিজেরা আলাদা সভা করতে পারবেন।

(০৩) উপদেষ্টাবৃন্দ কোন সভায় উপস্থিত থাকলে তিনি কোরামের হিসাবে গণ্য হবেন না এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভোট দিতে পারবেন না; তবে তিনি সাধারণ পরিষদের সদস্য হলে কোরামের অংশ হবেন এবং সাধারণ সভায় তার ভোটাধিকার বলবত থাকবে


সাধারণ পরিষদ কর্তৃক নির্দেশিত সোসাইটির নীতি ও কর্মসুচী বাস্তবায়নের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ও তার প্রতিনিধিত্বমূলক কর্তৃপক্ষ হচ্ছে নির্বাহী পরিষদ।

উপধারা-০১: নির্বাহী পরিষদের কর্তব্য ও ক্ষমতাঃ  

(০১) নির্বাহী পরিষদ সোসাইটি বা চিকিৎসা পেশার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট যেকোন বিষয় সরকার বা কোন সরকারি বা বিধিবদ্ধ সংস্থার নিকট সোসাইটির প্রতিনিধিত্ব করবে। 

(০২) নির্বাহী পরিষদ সোসাইটিকে সঠিক ভাবে গতিশীল রাখতে, সোসাইটির অফিস, পাঠাগার ও সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণ করতে, এবং সোসাইটির প্রকাশনা প্রস্তুত ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা তৈরি ও জারী করবে।   

(০৩) নির্বাহী পরিষদ কোন ব্যক্তির সদস্যভুক্তির আবেদন বা কোন সদস্যের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা জনিত প্রশ্নে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে, এবং ন্যায্যতার স্বার্থে কোন সদস্যের বকেয়া বা দেনা আংশিক বা সম্পুর্ন মার্জনা করতে পারবে।   

(০৪) নির্বাহী পরিষদ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক গঠিত হয় নাই এমন কোন কমিটি বা সাব-কমিটি নিয়োগ করতে পারবে এবং সোসাইটির লক্ষ্য অর্জনের জন্য তা করবে।

(০৫) নির্বাহী পরিষদ সাধারণ পরিষদের নিকট পেশ ও অনুমোদনের জন্য গঠনতন্ত্রের কোন বিধি রচনা, পরিবর্তন বা বাতিলের প্রস্তাব তৈরি করতে পারবে।     

(০৬) নির্বাহী পরিষদ সোসাইটির কোন বেতন ভুক্ত কর্মচারি নিয়োগ করতে বা তার নিয়োগ বাতিল করতে পারবে এবং সোসাইটির লক্ষ্য অর্জনের জন্য তা করবে।

(০৭) নির্বাহী পরিষদ নির্বাচন প্রক্রিয়ার সকল বিষয়ে অর্থ ও লজিস্টিক সরবরাহ করা সহ নির্বাচন কমিশনকে সার্বিক সহযোগিতা করবে।  

(০৮) সোসাইটির লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অর্থ ব্যয় অনুমোদন করবে এবং অর্থ ব্যয়ের সার্বিক ক্ষমতা নির্বাহী পরিষদেহাতে ন্যস্ত থাকবে।

(০৯) নির্বাহী পরিষদ সোসাইটির লক্ষ্য অর্জনের জন্য বর্নিত বিষয় ছাড়াও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিধি সম্মত ক্ষমতার ব্যবহার ও প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদন করবে।   

উপধারা-০২: নির্বাহী পরিষদের গঠনঃ নিম্নবর্ণিত ২৩ (তেইশ) টি পদের সমন্বয়ে নির্বাহী পরিষদ গঠিত হবে-

(০১) সভাপতি- ১ জন

(০২) সহ-সভাপতি- ২ জন

(০৩) সাধারণ সম্পাদক- ১ জন

(০৪) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- ২ জন

(০৫) কোষাধ্যক্ষ- ১ জন

(০৬) সাংগঠনিক সম্পাদক- ১ জন

(০৭) বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক- ১ জন

(০৮) আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক- ১ জন

(০৯) প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক- ১ জন

(১০) দপ্তর সম্পাদক- ১ জন

(১১) সদস্য- ১১ জনঃ (ক) নির্বাচিত- ৭ জন এবং (খ) মনোনীত ও পদাধিকারে- ৪ জন

উপধারা-০৩: নির্বাহী পরিষদেমেয়াদকালঃ একটি নির্বাহী পরিষদ এক মেয়াদে সর্বোচ্চ দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হবে। তবে যে কোন কারণে নির্বাহী পরিষদের কোন পদ পরিষদের মেয়াদ পুর্তির ছয় মাস পুর্বে শূন্য হলে ওই পদে নতুন নির্বাচন করতে হবে ।

উপধারা-০: নির্বাহী পরিষদ থেকে পদত্যাগঃ নির্বাহী পরিষদের কোন নির্বাচিত বা মনোনীত সদস্য সভাপতি বরাবর উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে লিখিত পদত্যাগ পত্র পেশ করতে পারবেন। উপযুক্ত কারণ ছাড়া বিনা নোটিশে কেউ একাধারে ছয় মাস নির্বাহী কমিটির সভা এবং সোসাইটির কার্যক্রমে অংশ না নিলে তার এই আচরণ নির্বাহী পরিষদ থেকে পদত্যাগ বলে বিবেচিত হবে। এরূপ পদত্যাগ বিবেচনার এখতিয়ার কেবলমাত্র নির্বাহী পরিষদের হাতে থাকবে এবং নির্বাহী পরিষদের আশু পরবর্তি সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। পদত্যাগের ব্যাপারে নির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন তা পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট সদস্যের প্রার্থী হওয়ার ব্যাপারে বাধা হবেনা।

উপধারা-০: নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের দায়িত্ব ও ক্ষমতাঃ

(০১) সভাপতিঃ 

() সভাপতি নির্বাহী পরিষদের পরামর্শে সোসাইটির কার্যক্রম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করবেন।

() সভাপতি সাধারণ পরিষদ ও নির্বাহী পরিষদের সকল সভায় সভাপতিত্ব করবেন, তবে তা একাডেমিক বা বৈজ্ঞানিক সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও সম্মেলনের ক্ষেত্রে অপরিহার্য নয়।

(গ) সভাপতি সভার কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করবেন এবং গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিধি-বিধানের ব্যাখ্যা প্রদান করবেন।

(ঘ) সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণে সমান সংখ্যক ভোটের ক্ষেত্রে নিজের নিয়মিত ভোটের অতিরিক্ত একটি ভোট প্রদান করতঃ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে পারবেন।

(০২) সহ-সভাপতিঃ   

(ক) সভাপতির সাময়িক অনুপস্থিতি বা অক্ষমতার ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি, তার একই কারণের ক্ষেত্রে কনিষ্ঠ সহ-সভাপতি সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

(খ) যেকোন কারণে সভাপতির দীর্ঘ অনুপস্থিতি বা অক্ষমতার ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি, তার একই কারণের ক্ষেত্রে কনিষ্ঠ সহ-সভাপতি, নির্বাহী পরিষদের কার্যকালের বাকি সময়ের জন্য নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নির্বাচিত হবেন।  

(০৩) সাধারণ সম্পাদকঃ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকবৃন্দের সহায়তায় নিম্নলিখিত দায়িত্ব সমূহ পালন করবেন-

(ক) তিনি হচ্ছেন অফিস প্রধান এবং অফিসের যাবতীয় যোগাযোগ রক্ষা করবেন।

(খ) তিনি যাবতীয় সভা, সম্মেলন, লেকচার, প্রদর্শন ইত্যাদি আয়োজন ও আহ্বান করবেন।

(গ) তিনি কোষাধ্যক্ষের নিকট রক্ষিত আয়-ব্যয়ের হিসাব তত্বাবধান করবেন এবং খরচের জন্য যাবতীয় বিল অনুমোদন ও চেক সই করবেন।

(ঘ) তিনি সাধারণ পরিষদের সভায় পেশ ও অনুমোদনের জন্য কোষাধ্যক্ষের সহযোগিতায় বার্ষিক বাজেট ও আর্থিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করবেন।

(ঙ) তিনি সকল সম্পাদক এবং সম্পাদকীয় কমিটি ও উপকমিটির কার্যাবলি তদারকি করবেন এবং দিক নির্দেশনা প্রদান করবেন।

(চ) তিনি সোসাইটির স্বার্থ সংশ্লিষ্ট যেকোন বিষয়ে নির্দেশনা ও সিদ্ধান্তের জন্য নির্বাহী পরিষদের সভায় পেশ করবেন।

(০৪) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকঃ

(ক) সাধারণ সম্পাদকের যাবতীয় কাজে সহযোগিতা করবেন।

(খ) সাধারণ সম্পাদকের সাময়িক বা দীর্ঘ অনুপস্থিতি বা অক্ষমতায় জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, তার একই কারণে কনিষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করবেন।

(০৫) কোষাধ্যক্ষঃ 

(ক) তিনি সোসাইটির হিসাব রক্ষকের দায়িত্ব পালন করবেন, হিসাব সমূহের নগদায়ন করবেন এবং নির্ধারিত নিরীক্ষক কর্তৃক নিরীক্ষণের ব্যবস্থা করবেন।

(খ) সকল অর্থ কোষাধ্যক্ষের নিকট জমা হবে এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ব্যয়ের জন্য চেক সই করবেন। 

(গ) সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক পেশকৃত ব্যয়ের হিসাবে ভুলত্রুটি বা অসামঞ্জস্য লক্ষ্য রাখবেন এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সংশোধনের জন্য ফেরত পাঠাবেন। ব্যয়ের ক্ষেত্রে সাধারণ সম্পাদকের সাথে দ্বিমত থাকলে বিষয়টি সুরাহার জন্য সভাপতির নিকট পেশ করবেন।

(ঘ) নির্বাহী পরিষদে পেশ করার জন্য নিয়মিত সময়ান্তর সোসাইটির হিসাব বিবরণ প্রস্তুত করবেন এবং সাধারণ সভায় পেশ ও অনুমোদনের জন্য বার্ষিক হিসাব ও স্থিতিপত্র তৈরি করবেন।  

(০৬) সাংগঠনিক সম্পাদকঃ

(ক) সোসাইটির সকল সদস্যের একটি হালনাগাদ সদস্য পঞ্জি সংরক্ষণ করবেন

(খ) নতুন সদস্যদের সদস্যভুক্তির জন্য আবেদনপত্র ও অর্থ সংগ্রহ করবেন।

() সোসাইটির উদ্দেশ্য সাধনের জন্য সোসাইটি সংগঠনে সাধারণ সম্পাদককে সহযোগিতা করবেন।

(০৭) বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদকঃ সোসাইটির সকল বৈজ্ঞানিক, একাডেমিক, শিক্ষামূলক গবেষণা মূলক কর্মকান্ডের ব্যবস্থাপনা করবেন ও সচল রাখবেন।

(০৮) আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদকঃ সোসাইটির উদ্দেশ্য ও কার্যক্রমের স্বার্থে বহির্বিশ্বের সাথে সকল ধরনের যোগাযোগ ও তৎপরতা বজায় রাখবেন। 

(০৯) প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকঃ পুস্তক, পুস্তিকা, সংবাদ ও জার্নাল সহ সোসাইটির সকল প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক ডকুমেন্ট প্রকাশ ও প্রচারের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন ও সেসবের ব্যবস্থাপনা করবেন।

(১০) দপ্তর সম্পাদকঃ দপ্তর পরিচালনার সার্বিক দায়িত্ব পালন করবেন এবং অফিসের সকল ডকুমেন্ট সংরক্ষণ সহ সাধারণ পরিষদ ও নির্বাহী পরিষদের সকল সভার কার্যক্রম রেকর্ড করবেন

(১) সদস্যঃ নির্বাহী পরিষদের সভায় উপস্থিত থেকে আলোচনায় অংশ গ্রহন করবেন প্রয়োজনী ক্ষেত্রে ভোট প্রদান করবেন এবং নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করবেন।

উপধারা-০: নির্বাহী পরিষদের সভার বিধি ও কার্য প্রণালিঃ

(০১) নির্বাহী পরিষদ সর্বোচ্চ তিন মাস অন্তর একবার সভায় মিলিত হবে।

(০২) সভার আলোচ্য বিষয়, সময়, তারিখ ও স্থান উল্লেখ করতঃ কমপক্ষে সাত দিন পুর্বে নির্বাহী পরিষদের সকল সদস্যকে জানাতে হবে। তবে অতীব কোন জরুরী মুহুর্তে সভাপতি ২৪ ঘন্টার নোটিশে নির্বাহী পরিষদের সভা আহ্বান করতে পারেন।

(০) সভার কোরামের জন্য নির্বাহী পরিষদের সদস্যবৃন্দের কমপক্ষে অর্ধেক সদস্য উপস্থিত থাকতে হবে। কোরাম পূর্ন না হলে সভা বাতিল হবে এবং সভা বাতিল হয়েছে উল্লেখ পূর্বক সাধারণ সম্পাদক পূনঃর্নিধারিত সময় তারিখে উক্ত সভা পূনরায় আহ্বান করবেন।

(০) প্রয়োজনবোধে সভাপতি উপস্থিত সদস্যদের বেশিরভাগের সম্মতি সাপেক্ষে সভা মুলতবি রাখতে পারবেন; মুলতবি সভায় কেবলমাত্র অসম্পুর্ন বিষয় সমূহ আলোচিত হবে।

(০) দপ্তর সম্পাদক সভার কার্যক্রম সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও তা পরবর্তি সভায় উপস্থাপন নিশ্চিত করবেন।  

(০৭) কোন সদস্য বিশেষের প্রস্তাবনা সভায় উপস্থাপনের জন্য কমপক্ষে দুই দিন পুর্বে সাধারণ সম্পাদকের নিকট পেশ করতে হবে। 

(০) সভায় যে কোন বিষয় সভাপতির অনুমতি সাপেক্ষে পেশ করতে হবে এবং তিনি প্রচলিত রীতি-নীতি অনুসর করে সভা পরিচালনা করবেন।

(০) সভায় উপস্থিত সদস্যদের সাধারণ সংখ্যা গরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গৃহিত হবে। কোন প্রস্তাবনার পক্ষে বিপক্ষে সমান সংখ্যক ভোটের ক্ষেত্রে সভাপতি অত্র ধারার উপধারা ৫(১) অনুযায়ী সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করবেন।


উপধারা-০১: নির্বাচন কমিশনঃ নির্বাহী পরিষদের নির্বাচন পরিচালনার জন্য একটি নির্বাচন কমিশন থাকবে যা সোসাইটির তিন বা ততোধিক আজীবন সদস্য সমন্বয়ে নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক মনোনীত হবেন এবং তাদের মধ্যে জ্যেষ্ঠ সদস্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার হবেন। কমিশন নির্বাচনী কাজে স্বাধীন থাকবে এবং নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করবে। কেবলমাত্র পদত্যাগ জনিত কারণে অথবা সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে কমিশনের কোন সদস্য প্রত্যাহৃত হতে পারবেন।

উপধারা-০২: কমিশন গঠনে বাধ্যবাধকতাঃ নির্বাহী পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার কমপক্ষে দুই মাস পুর্বে সভাপতি কমিশন গঠনের জন্য নির্বাহী পরিষদের সভার আয়োজন করবেন। তার ব্যর্থতায় জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি পরবর্তি দেড় মাসের মধ্যে উক্ত সভার আয়োজনের দায়িত্ব পালন করবেন। জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতির একই রূপ ব্যর্থতায় কনিষ্ঠ সহ-সভাপতি পরবর্তি দেড় মাসের মধ্যে উক্ত সভার আয়োজন করবেন। এইভাবে পর্যায়ক্রমে সভাপতি ও উভয় সহ-সভাপতি উক্ত সভা আয়োজনে ব্যর্থ হলে কিংবা নির্বাহী পরিষদ কমিশন গঠনে ব্যর্থ হলে নির্বাহী পরিষদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে এবং এমতাবস্থায় সোসাইটির যেকোন দশ জন সদস্য কমিশন গঠনের জন্য সাধারণ পরিষদের তলবি সভা আহ্বান করতে পারবেন।

উপধারা-০৩: ভোটার তালিকাঃ সদস্য পঞ্জিতে প্রাপ্ত সকল আজীবন ও সাধারণ সদস্য সমন্বয়ে ভোটার তালিকা তৈরি হবে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পূর্বে চুড়ান্ত সদস্য পঞ্জি কমিশনে হস্তান্তর করবেন। কমিশন নির্বাচনের কমপক্ষে ৩০ দিন পূর্বে জ্যেষ্ঠতা ও বিভিন্ন পদে যোগ্যতা উল্লেখ পূর্বক খসড়া ভোটার তালিকা এবং কমপক্ষে ২৫ দিন পুর্বে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ঘোষণা করবে।

উপধারা-০৪: প্রার্থীদের যোগ্যতাঃ

(০১)  নির্বাহী পরিষদের পদ সমূহ কেবলমাত্র আজীবন সদস্যবৃন্দের জন্যই সংরক্ষিত থাকবে এবং এই রূপ পদে অধিষ্ঠানের জন্য তফসিল ঘোষণার তারিখের কমপক্ষে এক বছর পুর্বে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সাধারণ পরিষদের সদস্য হতে হবে।

(০২) সোসাইটির তহবিল থেকে বেতন বা সম্মানী প্রাপ্ত কোন ব্যক্তি নির্বাহী পরিষদেকোন পদে অধিষ্ঠিত হতে পারবেন না।

(০৩) তফসীল ঘোষনার তারিখে সভাপতি পদ প্রার্থীকে কমপক্ষে দশ বছর এবং সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক কোষাধ্যক্ষ পদ প্রার্থীকে কমপক্ষে আট বছর পুর্বে হেমাটোলজিতে ডিগ্রি প্রাপ্ত হতে হবে।

(০৪) সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তি পর পর দুই মেয়াদের বেশী একই পদে অধিষ্ঠিত থাকতে পারবেন না ।  

(০৫) কমিশনের সদস্যবৃন্দ তার অধীন নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।

উপধারা-০৫: নির্বাচন প্রক্রিয়াঃ

(০১) নির্বাচনি বিজ্ঞপ্তিঃ নির্বাচনের তারিখ, সময় ও স্থান উল্লেখ পুর্বক কমিশন সকল সদস্যকে নির্বাচনের কমপক্ষে তিরিশ দিন পুর্বে ধারা ৪-এর উপধারা ৪-এ বর্ণিত সাধারণ সভার বিজ্ঞপ্তির আঙ্গিকে নির্ধারিত মাধ্যমে অবগত করবেন।

(০২) প্রার্থিতা ও প্রার্থী তালিকাঃ নির্ধারিত আবেদন পত্রে একজন সদস্যের প্রস্তাব ও অপর একজন সদস্যের সমর্থন সহ এক জন যোগ্য সদস্য কর্মকর্তা পদের জন্য প্রার্থী হতে পারবেন কমিশন প্রার্থিতা যাচাই পুর্বক যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ এবং প্রার্থীতা প্রত্যাহারের সুযোগ প্রদান করতঃ নির্বাচনের তারিখের কমপক্ষে দশ দিন পুর্বে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবে।

(০৩) প্রার্থীর অভাবঃ নির্ধারিত তারিখে প্রার্থিতার আবেদন জমা না হওয়া অথবা প্রত্যাহার জনিত কারনে যদি কোন পদ প্রার্থীশূণ্য থাকে তবে ঐ পদ বা পদ সমূহে কমিশন পূণঃতফসীলের মাধ্যমে উপনির্বাচনের আয়োজকরবে এবং এক্ষেত্রে প্রার্থিতার আবেদন জমাদানের শেষ তারিখ অবশ্যই মূল নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরে হবে।

(০) ভোট গ্রহণের স্থান ও সময়ঃ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের উদ্দেশ্যে কমিশন ভোট গ্রহণের স্থান ও সময় নির্ধারণ করবে। দেশে অবস্থানরত ভোটারবৃন্দ ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ভোট প্রদান করবেন, তবে বিদেশে অবস্থানরত ভোটারবৃন্দ কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত বিশ্বস্ত ডাকযোগে ভোট প্রদান করতে পারবেন।

(০) ভোট গ্রহণে গোপনীয়তাঃ পরিষদের নির্বাচন শুধুমাত্র গোপন ব্যালটে ভোটের মাধ্যমেই করতে হবে এবং গোপনীয়তা বজায় রাখার জন্য কমিশন সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেবিদেশের ভোট সমূহ ভোট গ্রহণ সমাপ্তির সময়ের পুর্বেই কমিশনের নিকট পৌঁছতে হবে এবং সেসব ব্যালট কেবলমাত্র ভোট গণনার সময়েই প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী বা তাদের মনোনীত প্রতিনিধিদের সম্মুখে খুলতে হবে

(০৬) অগ্রিম ভোট গ্রহণঃ কোন ভোটারের যৌক্তিক আবেদনের প্রেক্ষিতে কমিশন অগ্রীম ভোটের ব্যবস্থা করতে পারবে। এইসব ভোটের গোপনীয়তা বজায় রাখার জন্য অত্র উপধারার অনুচ্ছেদ (০৫) প্রযোজ্য হবে।

(০৭) একাধিক সংখ্যা বিশিষ্ট পদঃ একাধিক সংখ্যা বিশিষ্ট পদসমূহে (সহ-সভাপতি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, সদস্য) নির্বাচনযোগ্য পদসংখ্যার সমান সংখ্যক ভোট প্রদান করতে হবে। এ সমস্ত পদে ভোট সংখ্যা পদসংখ্যার কম বা বেশি হলে উক্ত পদে সংশ্লিষ্ট ভোটারের ভোট বাতিল বলে গণ্য হবে।

(৮) বিজয়ী ঘোষণাঃ কোন পদে শুধু মাত্র একজন বৈধ প্রার্থী থাকলে ঐ প্রার্থী ঐ পদে র্নিবাচিত বলে বিবেচিত হবেন। কোন নির্দৃষ্ট পদে সর্বোচ্চ বৈধ ভোট প্রাপ্ত প্রার্থী নির্বাচিত বলে বিবেচিত হবেন। একাধিক সংখ্যা বিশিষ্ট পদসমূহে (সহ-সভাপতি, যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক, সদস্য) সর্বোচ্চ প্রাপ্ত বৈধ ভোটের ক্রমানুসারে প্রার্থী নির্বাচিত হবেন। কোন পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সমান ভোট পেলে অত্র ধারা-০৭-এর উপধারা-০৭-এ বর্ণিত সোসাইটির জেষ্ঠ্যতার নীতি অনুযায়ী জেষ্ঠ্য প্রার্থী বিজয়ী বলে বিবেচিত হবেন।

(০) নির্বাচনী আচরণ বিধিঃ গঠনতন্ত্র অনুমোদিত নিদৃষ্ট বিধি বিধান সম্বলিত এবং সোসাইটি ও সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহের মর্যাদা সংরক্ষনের উদ্দেশ্যে একটি আচরন বিধি কমিশন নির্বাচনি তফশিলের সাথে প্রকাশ করবেন। আচরণ বিধি ভঙ্গকারী প্রার্থীকে কারণ দর্শাও নোটিশ সাপেক্ষে প্রার্থীতা বাতিল সহ উপযুক্ত শাস্তি দেয়ার ক্ষমতা কমিশনের থাকবে।

উপধারা-০৬: মনোনীত ও পদাধিকারে সদস্যঃ

(০১)  পূর্ববর্তী নির্বাহী পরিষদের সভাপতি এবং সধারন সম্পাদক পদাধিকার বলে পরবর্তী নির্বাহী পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হবে। তবে তাদের কেউ পূনরায় কোন পদে নির্বাচিত হলে তার বা তাদের জন্য নির্ধারিত সদস্য পদ বা পদ দুইটি নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক মনোনয়নের জন্য বিবেচিত হবে।

(০২) নতুন নির্বাহী পরিষদ নির্বাচনে প্রথম তিন মাসের মধ্যে এই মনোনয়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। নির্বাহী পরিষদের সদস্যবৃন্দ সভা অনুষ্ঠানের পূর্বেই সাধারণ সম্পাদকের নিকট প্রস্তাব প্রেরন করবেন এবং সাধারণ সম্পাদক প্রস্তাবিত সদস্যের সম্মতি গ্রহন করবেন। প্রস্তাবিত সদস্যের মৌখিক অথবা লিখিত অসম্মতিতে তার সদস্য পদের প্রস্তাব বিবেচনা করা যাবে না।

উপধারা-০: জ্যেষ্ঠতা নির্ধারনঃ যে সব পদে একাধিক ব্যক্তি নির্বাচিত বা মনোনীত হবেন তাদের মধ্যকার জ্যেষ্ঠতা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবৃন্দের হেমাটোলজিতে ডিগ্রী অর্জনের তারিখের জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে। যদি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ একই তারিখ বা সেশনে হেমাটোলজিতে ডিগ্রি অর্জন করে থাকেন, তাহলে তাদের এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জনের তারিখের জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে, এবং যদি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের হেমাটোলজি ও এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন একই তারিখ বা সেশনে হয়ে থাকে, তাহলে তাদের বয়সের জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে। সর্বক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠতার এই নীতি অনুসৃত হবে।

উপধারা-০: নির্বাচনি বিবাদঃ

(০১) নির্বাচন কেন্দ্রিক বিবাদ মিটানোর জন্য সদ্য বিদায়ী সভাপতি, সদ্য বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার সমন্বয়ে একটি নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল থাকবে; তবে কোন সদস্য সংশ্লিষ্ট বিবাদে জড়িত থাকলে তিনি উক্ত ট্রাইব্যুনালের সদস্য হতে পারবেন না এবং এরূপ ক্ষেত্রে সদ্য বিদায়ী নির্বাহী কমিটির জ্যেষ্ঠতম ব্যক্তি উক্ত ট্রাইব্যুনালের সদস্য হবেন।

(০২) নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল সাধারণ সংখ্যা গরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে রায় ঘোষণা করবেন এবং এরূপ রায় চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

উপধারা-০: নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষকে অবগতকরনঃ নবনির্বাচিত নির্বাহী পরিষদ প্রয়োজনীয় তথ্যাদি বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ১৫ (পনেরো) দিনের মধ্যে দাখিল করবে।


উপধারা-০১: আয়ঃ  নিম্ন লিখিত উপায়ে আহরিত অর্থ ও স্বত্ব সোসাইটির সম্পদ বলে বিবেচিত হবে।

(০১) সদস্যভুক্তি ফি, সোসাইটিতে অধিভুক্ত কোন সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ত নির্ধারিত ফি এবং সোসাইটি কর্তৃক যেকোন প্রকাশনা থেকে কিংবা রোগী বা কোন সংস্থাকে প্রদত্ত বিশেষ কোন সেবা থেকে প্রাপ্ত অর্থ বা সম্মানী । 

(০২) সোসাইটি কর্তৃক ক্রীত, বন্ধকী বা ভাড়াকৃত কিংবা অন্য কোন ভাবে প্রাপ্ত যেকোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি বা তা বিক্রয় থেকে প্রাপ্ত অর্থ এবং বিনিয়োগকৃত যেকোন পরিমাণ অর্থ বা সম্পদ। 

(০) কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক যে কোন উৎস থেকে প্রাপ্ত অনুদান বা উইলকৃত সম্পত্তি। 

(০) নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ও নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক প্রাধিকার সাপেক্ষে অন্য কোন উৎস বা প্রকল্প বা কর্মসূচী থেকে প্রাপ্ত অর্থ বা সম্পদ।

(০) এই সোসাইটি বৈদেশিক সাহায্য/অনুদান গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রচলিত বিধিবিধান অনুসরণ করবে।

উপধারা-০২: ব্যয়ঃ সকল ব্যয় নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে। সোসাইটির ব্যয় সমূহ নিম্ন রূপ-

(০১) দৈনন্দিন অফিস খরচ, প্রকাশনা ও তদসম্পর্কিত খরচ, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ ও প্রয়োজনীয় উপকরণ ক্রয় এবং এসবের ব্যবস্থাপনা।

(০২) সোসাইটির কোন পুর্ণ কালীন বা খন্ড কালীন কর্মচারি বা কর্মকর্তার সম্মানী বা বেতন।

(০৩) সোসাইটির উদ্দেশ্য সাধনে যুক্তি সংগত ও ন্যায্য অন্য যেকোন খরচাদি।

উপধারা-০৩: হিসাবঃ সকল অর্থ কোষাধ্যক্ষের নিকট জমা হবে এবং তা নির্বাহী কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত কোন তফসিলী ব্যাংক বা ব্যাংক সমূহে জমা থাকবে। এরূপ হিসাব সমূহ সোসাইটির নামে এবং সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কোষধ্যক্ষের মাধ্যমে যৌথভাবে পরিচালিত হবে।

উপধারা-০৪: হিসাব নিরীক্ষণঃ সরকার অনুমোদিত যে কোন হিসাব সংস্থা (অডিট ফার্ম) কিংবা সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কর্মকর্তা দ্বারা সোসাইটির সকল হিসাব নিরীক্ষা করাতে হবে। নির্বাহী পরিষদ এরূপ হিসাব সংস্থা নিয়োগ করবে এ ধরনের হিসাব নিরীক্ষা বার্ষিক ভিত্তিতে হবে এবং নিরীক্ষা শেষে প্রতিবেদন নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষ বরাবরে প্রেরণ করতে হবে। কোষাধ্যক্ষ নিরীক্ষিত আয়-ব্যয়ের হিসাব বিবরণী সাধারণ সভায় উপস্থাপন করবেন।


সোসাইটির একটি জার্নাল থাকবে যা একটি সম্পাদনা পরিষদ কর্তৃক নিয়মিত প্রকাশিত হবে।

উপধারা-০১: সম্পাদনা পরিষদঃ সম্পাদনা পরিষদের গঠন এবং এর বিভিন্ন পদে নিয়োগ বা অপসারণ নির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে সোসাইটির সদস্যদের মধ্য থেকে হবে। বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক ও প্রচার প্রকাশনা সম্পাদক পদাধিকার বলে সম্পাদনা পরিষদে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন এবং নির্বাহী পরিষদ তাদের পদবী নির্ধারন করবে।

উপধারা-০: জার্নালের আয় ও সম্পদঃ নিম্নলিখিত উপায়ে আহরিত অর্থ ও স্বত্ব জার্নালের সম্পদ বলে বিবেচিত হবে।

(০১) জার্নালের বিক্রয়, অংশগ্রহণকারী লেখকদের কাছ থেকে প্রাপ্ত অর্থ এবং এতে প্রদত্ত বিজ্ঞাপন হতে আয়।

(০৩) জার্নালে প্রদত্ত সোসাইটি বা অন্য কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক এককালীন বা মাসিক অনুদান।

(৪) নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক প্রাধিকার সাপেক্ষে অন্য কোন উৎস বা প্রকল্প বা কর্মসূচি থেকে প্রাপ্ত অর্থ বা সম্পদ।

(০৫) নির্বাহী পরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে জার্নালের জন্য নির্ধারিত বা ক্রীত যেকোন স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ। 

(৬) বৈদেশিক সাহায্য/অনুদান থেকে প্রাপ্ত অর্থ বা সম্পদ গ্রহণের ক্ষেত্রে ধারা-১২ উপধারা-১-এর (০৭) নং অনুচ্ছেদ অনুসরণ করতে হবে।

উপধারা-০: জার্নালের ব্যয়ঃ জার্নালের ব্যয়সমূহ নিম্নরূপঃ

(৬) দৈনন্দিন অফিস খরচ, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক ভার্সনের প্রকাশনা এবং এর উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কিত যাবতীয় খরচ

(০২) কোন স্থাবর বা অস্থাবর বা ভার্চুয়াল সম্পদ ও প্রয়োজনীয় উপকরণ ক্রয় ও তার রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কিত যাবতীয় খরচ।

(০৩) জার্নালের জন্য নিয়োগকৃত কোন পূর্ণ কালীন বা খন্ড কালীন কর্মচারী বা কর্মকর্তার সম্মানী বা বেতন।

(০৪) জার্নালের বৃহত্তর স্বার্থে যুক্তি সংগত ও ন্যায্য অন্য যেকোন খরচাদি।

উপধারা-০: জার্নালের হিসাবঃ জার্নালের সকল ব্যয় নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে। এতদুদ্দেশ্যে প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জার্নালের সমস্ত আয়-ব্যয়ের হিসাব রাখবেন এবং তা অনুমোদন ও সাধারণ সভায় উপস্থাপনের জন্য নির্বাহী পরিষদের নিকট দাখিল করবেন।

দেশে হেমাটোলজি বিষয়ে গবেষণা কার্যক্রম উৎসাহিত করতে সোসাইটি এধরনের কার্যক্রমে অনুদান দিতে পারবে এবং এতদুদ্দেশ্যে একটি কমিটি থাকবে। তবে সোসাইটি কর্তৃক কোন গাইডলাইন প্রণয়নের জন্য গবেষণার ক্ষেত্রে এই বিধি প্রযোজ্য হবে না এবং সেক্ষেত্রে নির্বাহী পরিষদের নির্দেশনা কার্যকর হবে

উপধারা-০: গবেষণা অনুদান কমিটি গঠনঃ গবেষণা অনুদাকমিটি সদস্য সচিব সহ ছয় সদস্য বিশিষ্ট হবে। নির্বাহী পরিষদের সভাপতি ও বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক পদাধিকার বলে এই কমিটির যথাক্রমে সভাপতি ও সদস্য সচিব থাকবেন, তবে কমিটির কোন সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সদস্য সচিবের কোন ভোটাধিকার থাকবেনা এবং তিনি কেবল সাচিবিক দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটির অন্য সদস্যবৃন্দের ক্ষেত্রে সোসাইটির অভিজ্ঞ ও জ্যেষ্ঠ সদস্যবৃন্দ অগ্রাধিকার পাবেন এবং তারা নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক দুই বছরের জন্য মনোনীত হবেন।

উপধারা-০: অনুদান প্রাপ্তির সাধারণ শর্তাবলীঃ নিম্নলিখিত শর্তাবলী পূরণ সাপেক্ষে গবেষণার জন্য অনুদান দেয়া যাবে। গবেষণা কর্মের যেকোন পর্যায়ে শর্তাবলীর ভিন্নতা পরিলক্ষিত হলে অনুমোদিত অনুদান বাতিল পূর্বক পরিশোধিত অর্থ ফেরতযোগ্য হবে ও তা ফেরত নিতে নির্বাহী পরিষদ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবে এবং এরূপ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রধান গবেষক পরবর্তীতে আর কখনও অনুদান প্রাপ্তির যোগ্য বিবেচিত হবেন না। 

(০১) প্রস্তাবিত বা আবেদিত গবেষণা কর্মটি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রাতিষ্ঠানিক রিভিউ বোর্ড বা ইথিক্যাল কমিটি বা বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল কর্তৃক অনুমোদিত মৌলিক গবেষেণা হতে হবে।  

(০২) কেবলমাত্র সোসাইটিএকজন সদস্য অথবা হেমাটোলজির কোন স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী প্রস্তাবিত গবেষণা কার্যক্রমের প্রধান গবেষক হবেন।

(০৩) অনুদানপ্রাপ্ত গবেষণা কর্মের গবষেণাপত্র দাখিল করার পূর্বে সংশ্লিষ্ট প্রধান গবষেক নতুন কোন গবেষণা কর্মের জন্য অনুদানের আবেদন করতে পারবেন না, তবে তিনি নতুন কোন গবেষণা অনুদান আবেদনপত্রে সহ-গবেষক থাকতে পারবেন।

(০৪) গবেষণা অনুদান কমিটির কোন সদস্য প্রধান বা সহ-গবেষক হিসেবে বা অন্য কোন ভাবে প্রস্তাবিত গবেষণা কর্মের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকতে পারবেন না। 

(০৫) গবেষণা কর্মের সময়কাল ৬ মাস থেকে ০১ বৎসর হবে, তবে ক্ষেত্র বিশেষে নির্বাহী কমিটির অনুমতিক্রমে সময়কাল বাড়ানো যেতে পারে। দীর্ঘ মেয়াদী গবেষণা বা ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য একাধিকবার অনুদান অনুমোদন করা যেতে পারে।

(০৬) প্রতি তিনমাস অন্তর প্রধান গবষেক গবেষণার অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করবেন এবং অনুদান কমিটি তা পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

(০৭) গবেষণা চলাকালীন এর কোন পরিবর্তন, পরিবর্ধন বা পরিমাজর্ন প্রয়োজন হলে তা অবশ্যই প্রটোকল অনুমোদনকারী সংস্থা কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে এবং অনুমোদনের কপি অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুদান কমিটিকে দিতে হবে।

(০৮) গবেষনায় প্রাপ্ত ফলাফলের উপর ভিত্তি করে তৈরীকৃত গবেষণাপত্র অত্র সোসাইটির র্জানালে প্রকাশ করার জন্য দাখিল করতে হবে। দাখিলকৃত গবেষণা পত্র প্রকাশের ক্ষেত্রে জার্নালের সম্পাদনা পরিষদ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে এবং এরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে গবেষণা পত্রটি অন্য কোন জার্নালে প্রকাশের জন্য দাখিল করা যাবেনা, তবে যেকোন সভা সেমিনারেযেকোন আঙ্গিকে উপস্থাপন করা যাবে।

উপধারা-০: অনুদান নিষ্পত্তির সাধারণ বিধিমালাঃ অনুদান আবদেনকারী ও অনুমোদনকারী কমিটির জন্য নিম্নলিখিত কার্যপ্রণালী সাধারণ ভাবে অনুসরণীয় হবে।

(০১) অনুদানের জন্য আবেদন সোসাইটির নির্ধারিত ফর্মে অনুদান কমিটির সভাপতি বরাবর পেশ করতে হবে।

(০২) অনুদান কমিটির সদস্য সচিব নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক বরাদ্দ বাজেট ও প্রয়োজনীয় দলিলাদি প্রাথমিক নিরীক্ষা করে সভাপতির সাথে আলোচনা সাপেক্ষে সভার তারিখ নির্ধারন করবেন।

(০৩) সভাপতির সভাপতিত্বে অনুদান কমিটির সভা হবে এবং তিনি প্রচলিত রীতি অনুযায়ী সভা পরিচালনা করবেন।

(০৪) সভায় আবেদিত গবেষণা কর্মের অনুদান অনুমোদন, প্রয়োজনীয় দলিলাদি জমাদান বা খরচের খাত সংশোধনসহ পুনরায় দাখিল, কিংবা আবেদন নামঞ্জুরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে এবং কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

(০৫) অনুদান অনুমোদনের ক্ষেত্রে সদস্য সচিব ব্যতীত সভায় অংশগ্রহণকারী সদস্যদের মতামতের সাধারণ সংখ্যা গরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।

(০৬) সভার সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন তা প্রত্যেক সদস্যের স্বাক্ষরসহ নির্বাহী পরিষদকে অবহিত করতে হবে এবং সদস্য সচিব সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীকে কমিটির মূল সিদ্ধান্ত অবহিত করবেন।  

(০৭) অনুদান অনুমোদিত হলে সদস্য সচিব নির্বাহী পরিষদের কোষাধ্যক্ষের সাথে অনতিবিলম্বে যোগাযোগ করে বরাদ্দকৃত অর্থ ছাড় করার ব্যবস্থা নিবেন।

(০৮) কোন আবেদন দাখিল বা সংশোধন পূর্বক দাখিলের পর তা অনধিক তিন মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে।

(০৮) গবেষণা শেষ করার তিন মাসের মধ্যে গবেষণাপত্র তৈরি করে তা প্রকাশের জন্য প্রধান গবেষক সোসাইটির জার্নালে দাখিল করবেন। গবষেণাপত্র তৈরীতে কোন কারনে বিলম্ব ঘটলে অনুদান কমিটিকে অবহিত করা সাপেক্ষে সবোর্চ্চ তিন মাস সময় পর্যন্ত বর্ধিত করা যেতে পারে।

(০৯) গবেষণা অনুদানের বাজেট বরাদ্দের জন্য অর্থবছর সোসাইটির অর্থবছরের অনুরূপ হবে। বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক প্রতিবছরের জন্য অনুদান বাজেট অর্থবছর শুরুর আগে নির্বাহী পরিষদের সভায় অনুমোদনের জন্য পেশ করবেন।

(১০) অনুদান কমিটির সদস্য সচিব সকল আবেদনের নথি সংরক্ষণ করবেন ও তার কপিসমূহ স্থায়ী সংরক্ষণের জন্য দপ্তর সম্পাদকের নিকট প্রেরণ করবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি সভার সিদ্ধান্ত সমূহ নির্বাহী পরিষদের পরবর্তী সভায় অবহিত করবেন। সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করার জন্য নির্বাহী পরিষদ বেতনভুক্ত খন্ডকালীন বা পুর্ণকালীন কর্মচারী নিয়োগ দিতে পারবে।

এই সোসাইটি তার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জনের স্বার্থে এবং সাধারণ পরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের বাইরের যেকোন দেশীয়, আঞ্চলিক বা আন্তর্জাতিক সমিতি, সোসাইটি বা বৈজ্ঞানিক সংগঠনের সাথে পারস্পরিকভাবে অধিভুক্ত হতে বা করতে পারবে। অধিভুক্ত বা অধিভুক্তকারী সংস্থা সমূহের সাথে চুক্তি অনুযায়ী পারস্পরিক প্রাধিকার থাকবে। একইভাবে, নির্বাহী পরিষদের প্রতিবেদন অনুযায়ী সাধারণ পরিষদ এই ধরণের অধিভুক্তিকরন চুক্তি প্রয়োজনীয় নোটিশ প্রদান সাপেক্ষে বাতিল করতে পারবে।


উপধারা-০১: প্রস্তাবনা প্রক্রিয়াঃ গঠনতন্ত্রের যেকোন সংশোধনের প্রস্তাব সাধারণ সভার কমপক্ষে তিন মাস পুর্বে সোসাইটির অফিসে পৌঁছাতে হবে অথবা এতদুদ্দেশ্যে নির্বাহী পরিষদ একটি কমিটি গঠন করতে পারবেসদস্যদের বা এতদুদ্দেশ্য গঠিত কমিটির প্রস্তাব সাধারণ সভা বা গঠনতন্ত্র সংশোধনীজন্য ভোটাভুটির কমপক্ষে ছয় সপ্তাহ আগে সোসাইটির সকল সদস্যকে অবগত করতে হবে এবং উক্ত প্রস্তাবের উপর সদস্যদের মতামত থাকলে তা পরবর্তী তিন সপ্তাহের মধ্যে সাধারণ সম্পাদকের নিকট পৌঁছাতে হবে। সাধারণ সম্পাদক উক্ত মুল প্রস্তাব এবং তার উপর সদস্যদের মতামত ও নির্বাহী পরিষদের সুপারিশ সাধারণ পরিষদের আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য পেশ করবেন।

উপধারা-০২: সিদ্ধান্ত গ্রহণঃ সাধারণ সভাউপস্থিত বা এতদুদ্দেশ্যে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে অংশগ্রহণকারী সদস্যদের দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যা গরিষ্ঠ ভোটের ভিত্তিতে গঠনতন্ত্রের যেকোন সংশোধনী বা পরিবর্তন প্রস্তাব গৃহীত হবে। গৃহীত সংশোধনী অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য যথানিয়মে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট পেশ করতে হবে।

কোন সুনির্দিষ্ট কারণের প্রেক্ষিতে সোসাইটির মোট আজীবন সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যক সদস্য চাইলে এই সোসাইটি বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে। বিলুপ্তিকালে সোসাইটির দায় দেনা বিষয়ে সদস্যবৃন্দ দায়িত্ব গ্রহণ করবে এবং এ বিষয়ে করণীয় নির্ধারণ পূর্বক সাধারণ পরিষদ বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত নিবে। এইরূপ বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য যথানিয়মে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষ বরাবর পেশ করতে হবে।


Comments

Constitution of Haematology Society of Bangladesh — No Comments

Write A Comment

HTML tags allowed in your comment: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>